শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




মন্দিরে পশু বলি বন্ধের আদেশ ত্রিপুরা হাইকোর্টের

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ভারতের ত্রিপুরায় ধর্মের নামে মন্দিরে পশুবলির ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন হাইকোর্ট।

ত্রিপুরা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ আদেশ দিয়েছেন, রাজ্যের কোনও মন্দিরে আর বলি দেওয়া যাবে না। এমনকি খোদ রাজ্য সরকার চাইলেও বলি দিতে পারবে না। খবর জিনিউজের

প্রধান বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি অরিন্দম লোধের ডিভিশন বেঞ্চ শুক্রবার এই ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন।

রায়ে হাইকোর্ট জানিয়েছেন, পশুপাখিদেরও বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকার আছে। ত্রিপুরার কোনও মন্দিরের ত্রিসীমানায় আর পশুবলি দেওয়া যাবে না। পশুবলির অনুমতি দিতে পারবে না রাজ্য সরকার। এমনকী, সরকার নিজস্ব উদ্যোগেও আর বলি দিতে পারবে না।

এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য প্রতিটি জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের উচ্চ আদালত।

ত্রিপুরার বেশ কিছু মন্দিরে অসংখ্য পশুবলি হয় এবং অধিকাংশ বলির খরচ সরকার নিজেই জোগায়। সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এছাড়াও রাজ্যের ত্রিপুরেশ্বরী এবং চতুরদাস দেবতা মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মুখ্যসচিবকে প্রতি মাসের রেকর্ডিংয়ের তথ্য সংগ্রহ করারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ত্রিপুরা হাইকোর্ট এই রায় দিয়েছেন এক জনস্বার্থ মামলার ভিত্তিতে। মামলাটি করেন রাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত জেলা দায়রা জজ সুভাষ ভট্টাচার্য। তিনদিন ধরে সেই মামলার শুনানি চলে ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যের পক্ষে বলি বন্ধের বিরোধিতা করা হয়। রাজ্য সরকারের আইনজীবী যুক্তি দেন, শতশত বছর ধরে এই প্রথা চলে আসছে।

এ সময় সুভাষ ভট্টাচার্যা পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘বেদ বা উপনিষদে কোথাও লেখা নেই, বলি না হলে হিন্দু ধর্ম পালনে ক্ষতি হবে।’ পরে সুভাষের যুক্তি মেনে নেন আদালত।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765