শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




পরকীয়া করে বিয়ে, ফের পরকীয়ায় স্ত্রী, অতঃপর…

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৯

হবিগঞ্জে স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পারিবারিক কলহে অতিষ্ঠ হয়ে স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করেছে সবজি ব্যবসায়ী সেলু মিয়া।

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্ত্রী ও শাশুড়ি হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন সেলু মিয়া। তিনি হবিগঞ্জ শহরের উমেদনগরের নুর মিয়া ছেলে।
বুধবার দিবাগত রাত ১১টায় হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে স্বীকারোক্তি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা।

সেলু মিয়ার স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার জানান, প্রায় দেড় বছর আগে ঘরে স্ত্রীসহ ২ সন্তান থাকাবস্থায় সেলু মিয়া বানিয়াচং উপজেলার তারাসই গ্রামের ফুলবরন নেছার সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে বিয়ে করেন। এক পর্যায়ে দ্বিতীয় স্ত্রী ফুলবরন নেছা আবারও অন্যের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারেননি। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এ পরিস্থিতিতে সেলু মিয়া প্রথম স্ত্রীর বাবা ও ভাইকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী ও তার মাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। এরই অংশ হিসেবে তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী ও শাশুড়িকে আলাদা বাসায় উঠানোর কথা বলে সিএনজি অটোরিকশাযোগে তাদেরকে বাসা দেখাতে নিয়ে যান। পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক তাদেরকে শহরতলীর খোয়াই নদীর কাছে নিয়ে তাদেরকে পিটিয়ে ও দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে উভয়ের লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয় সেলু মিয়া, তার প্রথম শ্বশুর ও সম্বন্ধি।

পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেলু মিয়াকে গ্রেফতার করলে তিনি হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেন।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765