বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




নানির ভিক্ষার টাকায় পুলিশের হাত থেকে মুক্তি

ভৈরব প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: শনিবার, ২০ জুলাই, ২০১৯

অন্ধ নানির ভিক্ষার জমানো টাকার বিনিময়ে পুলিশের হাত থেকে ছাড়া পেল নাতি। এ ঘটনা ঘটেছে ভৈরব থানা এলাকায়। মঙ্গলবার বিকেলে শহরের নিউ টাউন এলাকা থেকে মাদকের অজুহাতে কিশোর রিকশাচালক নূর মোহাম্মদ জুয়েলকে ধরে নিয়ে যান ভৈরব থানার এএসআই মাজাহার। তাকে থানায় নয় বরং থানার পেছনে রান্নাঘরে গোপনে আটকে রেখে স্বজনদের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন ওই এএসআই। দাবি করা টাকা না দিলে ৫২ পিস ইয়াবা দিয়ে চালান করে দেওয়ার হুমকিও দেন তিনি। পরে জুয়েলকে ছাড়িয়ে নিতে অন্ধ ভিক্ষুক নানি জোছনা বেগম ও মা জরিনা বেগম ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে ১৩ হাজার টাকা দেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, বুধবার রাত ৯টার দিকে জোছনা বেগম তার ভিক্ষার জমানো পাঁচ হাজার টাকা ও ঘরের জিনিসপত্র বিক্রি করে মোট ১১ হাজার টাকা নিয়ে ওই এএসআইর হাতে-পায়ে ধরে জুয়েলকে ছাড়িয়ে আনেন। বাকি দুই হাজার টাকা পরদিন দেওয়ার কথা বলেন। বৃহস্পতিবার জুয়েলের মা জরিনা বেগম থানার সামনে গিয়ে ওই এএসআইকে দুই হাজার টাকা দেন। তখনই স্থানীয় সংবাদকর্মীরা বিষয়টি জেনে যান।

তারা থানার ওসির কাছে ঘটনা জানতে চাইলে বিষয়টি তিনি অবগত নন বলে জানান। ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ায় পরিবারটি পুলিশি হয়রানির আতঙ্কে রয়েছে।

ঘটনা স্বীকার করে অভিযুক্ত এএসআই মাজাহার সাংবাদিকদের বলেন, এটি তার ভুল হয়ে গেছে। আর কখনও এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না। তবে ১৩ হাজার টাকা নয়, মাত্র দুই হাজার টাকা নিয়েছেন বলে স্বীকার করেন তিনি। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার না করার জন্যও সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন তিনি।

ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রেজওয়ান দিপু বলেন, ঘটনার দিন ফোন দিলে হয়তো হাতেনাতে ধরতে পারতাম। আসামি আটক করে থানায় নিয়ে অন্য কোথাও নিয়ে রাখার কোনো নিয়ম নেই। তিনি ভৈরবের বাইরে আছেন এবং এসে বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান সহকারী পুলিশ সুপার।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765