শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালু, ৯০ স্থানে সম্প্রসারণের ঘোষণা বাগেরহাটে সাবলীল পাঠক ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ মৌলভীবাজারে শতবর্ষী মাছের মেলা বাগেরহাট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ বাগেরহাটে যুবদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ যদুনাথ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বার্ষিক ক্রীড়া-সাহিত্য-সংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বাগেরহাট-১ আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থীর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার : ১ অপহরণকারী আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা এনসিপি নেতাদের পদত্যাগ সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪৯০ কেজি অবৈধ কাঁকড়াসহ ৫ ব্যবসায়ী আটক




তার প্রতারণার শিকার শতাধিক নারী

নতুন বার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: সোমবার, ৫ আগস্ট, ২০১৯
শাহ জাহাঙ্গীর আলী। ছবি: সংগৃহীত

তার নাম শাহ জাহাঙ্গীর আলী। সিআইডি’র সাইবার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। শনিবার রাতে মৌলভীবাজারের সরকার বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

নারীদের সঙ্গে প্রতারণাই ছিল তার প্রধান কাজ। প্রবাসীদের ছবি নিয়ে ফেসবুকে ভুয়া আইডি তৈরি করে অসংখ্য নারীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন এই শাহ জাহাঙ্গীর । সেই নারীদের সঙ্গে মিথ্যা প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে নানা প্রলোভনে তাদের একান্ত ব্যক্তিগত ছবি সংগ্রহ করতেন তিনি। পরে তা প্রকাশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ই ছিলো তার কাজ।
বেশ কয়েকজন নারীর কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে তা পর্যালোচনার পর তাকে গ্রেফতার করে সিআইডি’র সাইবার পুলিশের একটি দল।

সেসময় তার কাছ থেকে অপরাধের কাজে ব্যবহৃত একটি সাদা রংয়ের প্রাইভেট কার, অসংখ্য সিম কার্ড এবং একাধিক মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টারের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মো. শাহ আলম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ইচ্ছা করে পরিচয় গোপনের মাধ্যমে ছদ্মবেশ ধারণ করে মানহানিকর তথ্য প্রকাশসহ ভয়ভীতি প্রদর্শনের অপরাধে জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. খায়রুল আলম বলেন, আসামি শাহ জাহাঙ্গীর আলী ভুক্তভোগীদের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে এক পর্যায়ে বিয়ের প্রস্তাব দিতেন।

‘‘ভুক্তভোগীদের নানা রকম প্রলোভন দিয়ে তাদের ব্যক্তিগত ছবি সংগ্রহ করতেন। এক পর্যায়ে টাকা দাবি করতেন। কেউ টাকা দিতে রাজি না হলে তার ছবি এডিটিংয়ের মাধ্যমে অশ্লীল করে ইন্টারনেটে ছেড়ে দিবে বলে হুমকি দিতেন। কয়েকজন ভুক্তভোগী বাধ্য হয়ে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকাও দিয়েছে।’’

খায়রুল আলম বলেন, আসামির একাধিক ফেসবুক আইডি পর্যালোচনা করে শতাধিক ভিকটিমের একান্ত ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও পাওয়া গেছে। যারা কোনো না কোনোভাবে এই ভয়ংকর আসামির প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765