শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




জেএমবির ভারতীয় শাখার প্রধান গ্রেফতার

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৯

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির ভারতীয় শাখার প্রধান ইজাজ আহমেদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার ভোরে বিহারের গয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। খবর জিনিউজের

পুলিশ জানায়, জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ’ বা জেএমবির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে চলতেন ইজাজ। বস্তুত ইজাজই ভারতে এই জঙ্গি সংগঠনের ‘আমির’। তার বাড়ি বীরভূমের পাড়ুইয়ের অবিনাশপুরে।

জানা গেছে, বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত কাওসার ওরফে বোমা মিজান গত বছর বেঙ্গালুরুতে গ্রেফতার হওয়ার পরে ভারতে জেএমবির প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন ইজাজ। তিনি জেএমবির আল-কায়দা ঘনিষ্ঠ শাখার প্রধান বড়ভাই ওরফে সালাউদ্দিন ও কাওসারের সঙ্গে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। তার কাছ থেকে ল্যাপটপ, হার্ড ডিস্ক, চিঠিসহ জঙ্গি কার্যকলাপের নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সোমবার তাকে গয়ার আদালতে হাজির করানো হয়। পরে বিচারক এক দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে তাকে কলকাতায় আনার নির্দেশ দেন।

এসটিএফ জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন বাঙালিপ্রধান এলাকায় বেআইনি মাদ্রাসা থেকে জেএমবির জন্য লোক নিয়োগ করা এবং জঙ্গি ঘাঁটি তৈরির দায়িত্ব ছিল ইজাজের ওপরে। এক দশকের বেশি সময় ধরে তিনি এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণের পরে জঙ্গি তৎপরতা কিছুটা থমকে যায়। বুদ্ধগয়ায় বিস্ফোরণের ঘটনায় অভিযুক্তদের ধরপাকড় শুরু হতেই ইজাজ গাঢাকা দেন। বাঙালি শ্রমিকদের ভিড়ে মিশে তিনি বেশ কয়েক মাস বেঙ্গালুরু এবং কেরালায় লুকিয়ে ছিলেন। এক বছর ধরে গয়ায় ঘুরে ঘুরে বাচ্চাদের জামাকাপড় বিক্রি করতেন ইজাজ।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এজাজ জানিয়েছেন, খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণের পরে তার প্রধান কাজ ছিল সংগঠনের জন্য কর্মী নিয়োগ করা। বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদে (ধুলিয়ান) জেএমবি মডিউল তৈরিতে তার ভূমিকা ছিল।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765