বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




জামিনে মুক্ত ধর্ষণ মামলার আসামি

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০১৯

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার আসামি জাজিরা পৌরসভার মেয়র ইউনুছ ব্যাপারীর ছেলে মাসুদ ব্যাপারী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। গ্রেপ্তারের আট দিন পর গতকাল সোমবার বিকেলে তিনি মুক্তি পান। তিনি জামিন পাওয়ায় ওই কলেজছাত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কের মধ্যে আছেন।

ওই কলেজছাত্রীর বাবা বলেন, লজ্জা, ভয় আর আতঙ্কে মেয়েটি কুকড়ে আছে। সারাক্ষণ ঘরে বসে কাঁদে। লজ্জায় মানুষের সামনে যেতে পারে না। এমন পরিস্থিতিতে অপরাধী জামিনে বের হয়ে এসেছেন। তাঁরা প্রভাবশালী, তাই শঙ্কা, কখন কোন ক্ষতি করে।

পুলিশ জানায়, গত ২৯ জুন রাতে মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হন। ওই দিন বিকেলে মাসুদ তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য কলেজছাত্রীকে বাড়িতে আসতে বলেন। ওই মেয়ে কাজ শেষ করে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাসুদের বাড়িতে যান। সেখানে মাসুদের পরিবারের কাউকে না দেখে ওই ছাত্রী ফিরে আসার চেষ্টা করেন। তখন মাসুদ তাঁকে ঘরে আটকে ধর্ষণ করেন। পরে মেয়েটিকে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করা হয়। মেয়েটি মাসুদের বাড়ি থেকে বের হয়ে চিৎকার করলে ওই মহল্লার কয়েকজন নারী তাঁকে উদ্ধার করেন। পরের দিন জাজিরা থানায় মাসুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন ওই ছাত্রী।

১ জুলাই আদালতের মাধ্যমে মাসুদ ব্যাপারীকে শরীয়তপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। ৭ জুলাই তাঁর জামিনের আবেদন করা হয় শরীয়তপুর জেলা আমলি আদালতে। এ সময় তাঁর সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। আমলি আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন জামিন ও রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেন। পরে জেলা ও দায়রা জজের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মরিয়ম মুন মঞ্জুরী জামিন মঞ্জুর করে আসামিকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দেন।

ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বলেন, ‘মাসুদ আমার আত্মীয় হন। তারপরও ধর্ষণ করতে পিছপা হননি। আমি তাঁর পায়ে ধরে কেঁদেছি। তারপরও রেহাই পাইনি। মামলা করার পর থেকেই চাপে আছি। এখন মাসুদ মুক্ত হয়েছেন। শঙ্কায় আছি তিনি আমাকে মেরে ফেলেন কি না।’

বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য মাসুদ ব্যাপারী ও তাঁর বাবা জাজিরা পৌরসভার মেয়র ইউনুছ ব্যাপারীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তাঁদের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হয়। কিন্তু তাঁরা ফোন ধরেননি।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার আসামি জামিন পেয়েছেন, এমন তথ্য পেয়েছি। ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবার শঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তাঁদের যাতে কোনো ক্ষতি কেউ করতে না পারে, পুলিশ তা নিশ্চিত করবে।’

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765