শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




গাধারাও পাজামা পরে!

নতুনবার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৯

গাধা বিশ্বের সবচেয়ে কর্মক্ষম প্রাণী। একটা সময় গাধার এই পরিশ্রম করার ক্ষমতার জন্যই কৃষিকাজ থেকে মালপত্র বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেই গাধার চাহিদা ছিল আকাশছোঁয়া। গাধার পিঠে চড়ে মাইলের পর মাইল পেরিয়ে যেতেন অনেকে। কিন্তু এই গাধার গুরুত্ব এখনও একটুও কমেনি। এরা হলো ‘পোইটু গাধা’। আকারে সাধারণ গাধার তুলনায় বেশ খানিকটা বড় এবং লম্বা। তবে সারা বিশ্বে এদের সংখ্যা এখন ‘হাতে গোনা’। ২০০৫ সালে হিসেব করে দেখা গেছে, সারা বিশ্বে পোইটু গাধার সংখ্যা মাত্র ৪৫০।

পোইটু এক ধরনের বিশেষ প্রজাতির গাধা। ফ্রান্সের পোইটু উপত্যকায় এদের আদি বাসস্থান। একটা সময় ইউরোপে চড়া দামে পোইটু গাধা কেনা-বেচা করা হত। লম্বায়-চওড়ায়, দেখতে অনেকটাই ঘোড়ার মতো। ফলে এদের পরিশ্রম করার ক্ষমতাও অন্যান্য গাধার তুলনায় অনেকটাই বেশি।
ঐতিহাসিকদের মতে, ১৭১৭ সালের পর থেকে ফ্রান্সের রাজা পঞ্চদশ লুইয়ের উদ্যোগে কৃষিকাজের সঙ্গে সঙ্গে পরিবহনের কাজেও ব্যবহৃত হতে থাকে পোইটু গাধা। এই সময় থেকেই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বেড়ে যায় এই প্রজাতির গাধার কদর। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে যন্ত্র বা মোটরচালিত গাড়ির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পোইটু গাধার চাহিদায় ভাঁটা পড়ে।

বিংশ শতকেও অন্তত ৩০ হাজার গাধার প্রতিপালন করা হতো ফ্রান্সের পোইটু উপত্যকায়। একটা সময় নুন আর পশমের কারবারীদের কাছে দারুণ কদর ছিল এই পোইটু গাধার। কারণ, এই প্রজাতির গাধার সারা শরীর বোঝাই ভারী পশমে।

ভেঁড়ার পশমের মতো উত্কৃষ্ট মানের না হলেও, পোইটু গাধার পশমেরও যথেষ্ট চাহিদা ছিল। যে কারণে ইউরোপের অনেকেই পোইটু গাধার প্রতিপালন করতেন। সে সময় মূলত ছারপোকা আর মশার কামড়ের হাত থেকে বাঁচাতে পোইটু গাধার চার পা মোটা কাপড়ে ঢেকে দিতেন তাদের মনিবরা যেগুলোকে দেখতে অনেকটা পাজামার মতো। এখন অবশ্য নুনের কারবারে প্রয়োজন হয় না পোইটু গাধার।

ব্যবসার পরিবহণেও কাজে লাগে না এদের। তবে ঐতিহ্য মেনে পর্যটকদের মনোরঞ্জনের খাতিরে এখনও পোইটু গাধাদের পাজামা পরিয়ে রাখা হয়।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765