রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে তিন মসজিদের নামে ভুয়া প্রকল্পে দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তনে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নেন শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার বাগেরহাট অফিসার্স ফোরামের ঈদ পুনর্মিলনীতে জেলার মেধাবী সন্তানদের মিলনমেলা বাগেরহাটে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান শরনখোলায় মালয়েশিয়া প্রবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩, চিকিৎসক বলছে ‘কার্ডিয়াক অ্যাটাক’ একাদশ বিসিএস ফোরামের সভাপতি ড. ফরিদুল ইসলাম, সম্পাদক ইহসানুল হক বাগেরহাটে অশ্রুসিক্ত নয়নে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিদায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নতুন এমডি ইঞ্জিনিয়ার রমানাথ পুজারি উপকূলীয় উন্নয়নে নতুন প্রত্যাশা: তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন শেখ ফরিদুল ইসলাম পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ




খুলনায় স্ত্রী ও ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

খুলনা প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৯

খুলনায় রূপসা ব্রিজের ওপর থেকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে স্ত্রী ও ১৪ বছরের ছেলেকে হত্যার দায়ে অন্তর হোসেন রমজান নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ হাজার টাকার অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার বিকালে খুলনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মসিউর রহমান চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

সরকার পক্ষের কৌশলী অ্যাডভোকেট এনামুল হক জানান, ২০১৭ সালের ২৭ জুন রাতে অন্তর হোসেন রমজান তার স্ত্রী তৈয়েবা খাতুন ও ছেলে আব্দুর রহিমকে বরিশাল যাওয়ার কথা বলে নগরীর খালিশপুরের লিবার্টি হলের পেছনের ভাড়া বাড়ি থেকে রূপসা নদীর খানজাহান আলী ব্রিজের ওপর নিয়ে আসে। রাত নয়টার দিকে সে ব্রিজের ওপর থেকে তার স্ত্রী ও ছেলেকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেয়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতা এই সময় রমজানকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করে। পরে পুলিশ রূপসা নদী থেকে নিহত তৈয়েবা খাতুন ও তার ছেলে আব্দুর রহিমের লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহত তৈয়েবা খাতুনের মা রাশিদা বেগম বাদী হয়ে রূপসা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে আদালতে ১১জন সাক্ষ্য প্রদান করেন।

রায় ঘোষণাকালে জেলা ও দায়রা জজ মসিউর রহমান ব্যাখ্যা করে বলেন, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির অর্থদণ্ড কেন প্রশ্ন উঠতে পারে- কিন্তু আইনে রয়েছে তাই তিনি একই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

রায় পাঠকালে বিচারক বলেন, যে ব্যক্তি নিজ স্ত্রী এবং শিশুপুত্রকে হত্যা করতে পারে তাকে মৃত্যুদণ্ডই পেতে হবে।

সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এনামুল হক। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন কমল।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765