শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
শরনখোলায় মালয়েশিয়া প্রবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩, চিকিৎসক বলছে ‘কার্ডিয়াক অ্যাটাক’ একাদশ বিসিএস ফোরামের সভাপতি ড. ফরিদুল ইসলাম, সম্পাদক ইহসানুল হক বাগেরহাটে অশ্রুসিক্ত নয়নে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিদায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নতুন এমডি ইঞ্জিনিয়ার রমানাথ পুজারি উপকূলীয় উন্নয়নে নতুন প্রত্যাশা: তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন শেখ ফরিদুল ইসলাম পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ




খুলনায় ইসলাম খান হত্যা মামলায় চার জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

খুলনা প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৯

 খুলনার ফুলতলা উপজেলার ইসলাম খান (৪৫) হত্যা মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। তবে আসামিদের সবাই পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা তৃতীয় আদালতের বিচারক বুশরা সায়েদা এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন ইসলাম মোল্লা (৩৫), কামাল শেখ (৩৫), মোস্তফা শেখ ওরফে মোস্ত (৫৫) ও হাসান গাজী (৫৫)। তারা সবাই ফুলতলা উপজেলার দামোদর গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টার দিকে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে ইসলাম খানকে ইসলাম মোল্লার বাড়িতে ডেকে নেয়। সেখানে পুরনো বিরোধের জের ধরে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আসামিরা ইসলাম খানের ওপর চড়াও হয় এবং বুকে ও মাথায় কিল, ঘুষি, চড়, থাপ্পর ও লাথি মারে। এক পর্যায়ে ইসলাম খান মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় ইসলাম খানকে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই নজরুল খান বাদী হয়ে ওইদিনই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তৎকালিন থানার ওসি দাউদ হোসেন তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ১৪ নভেম্বর চার জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এ মামলার বিচার শুরু হয়। আদালতে এ হত্যা মামলার শুনানি চলাকালে ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সবশেষে আজ মঙ্গলবার বিচারক এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পিপি এস এম সাজ্জাদ হোসেন ও পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে কামরুল আহসান মামলাটি পরিচালনা করেছেন।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765