বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
পরীক্ষায় ভেজাল ও মানহীন প্রমাণিত : বাগেরহাটে এডভানটা কোম্পানির সার বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী কায়রুজ্জামান শিপনের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম প্যারোলে মুক্তি পাননি, কারাফটকে দেখলেন স্ত্রী-সন্তানের মুখ বাগেরহাটে ছাত্রলীগ সভাপতির সন্তানকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যা ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এই জনপদের উন্নয়নে একাধিক এজেন্ডা ঘোষণা করেছি -ব্যারিস্টার জাকির বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিমের মতবিনিময় বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে —ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বাগেরহাটের তিন আসনেই ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম মোংলায় যৌথ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক




অঞ্জু ঘোষ ভারতীয় না বাংলাদেশি নাগরিক

বিনোদন ডেস্ক:
  • প্রকাশ: বুধবার, ১২ জুন, ২০১৯
অঞ্জু ঘোষ

বেদের মেয়ে জোছনা’ খ্যাত কিংবদন্তি চিত্রনায়িকা অঞ্জু ঘোষের নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তিনি আদৌ ভারতীয় নাগরিক কিনা তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। সম্প্রতি কট্টর হিন্দুত্ববাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দেয়ার পর এ বিতর্ক শুরু হয়।

তবে বিজেপির দাবি, অঞ্জু ভারতীয় নাগরিক। এ জন্য বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে অঞ্জুর পক্ষে একাধিক নথি পেশ করে বিজেপি। কিন্তু সেই নথিতে একাধিক অসঙ্গতি দেখা গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে অঞ্জুর জন্ম সনদ, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড, আধার কার্ড এবং পাসপোর্টের কপি দেয়ে দাবি করে, তিনি ভারতীয়।অঞ্জুর দাবি ১৯৬৬ সালে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার জন্ম। এর পক্ষে বিজেপি পেশ করেছে ২০০৩ সালে কলকাতা পৌরসভার থেকে প্রকাশিত তার জন্মের প্রশংসাপত্র।

তবে অনলাইনে অঞ্জুর জন্মের প্রশংসাপত্রের রেজিস্ট্রেশন নম্বরের সঙ্গে কর্পোরেশনের রেজিস্ট্রেশন নম্বরে গরমিল দেখা গেছে। একই নামে দু’টি রেজিস্ট্রেশনও পাওয়া গেছে।

প্রশ্ন উঠছে, ১৯৬৬ সালে যার জন্ম, তার জন্মের প্রশংসাপত্র ২০০৩ সালে দেয়া হল কেন? এখানেই শেষ নয়। বাংলাদেশের একাধিক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে অঞ্জু বাংলাদেশকেই ‘মাতৃভূমি’ বলে দাবি করেন। এমনকি, একটি সাক্ষাৎকারে সাংবাদিকের ভুল শুধরে তিনি বলেন, ‘আমার জন্ম কিন্তু চট্টগ্রামে নয়, ফরিদপুরে। তবে বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে।’

অঞ্জুর যে পাসপোর্ট দেখানো হয়েছে, সেটির মেয়াদ শুরুর তারিখ ২০১৮ সালে। যে অভিনেত্রী দীর্ঘদিন বাংলাদেশ এবং ভারতে অভিনয় করেছেন, তার পাসপোর্ট ২০১৮ সালের হয় কী করে? বিজেপির দাবি, এটি তার শেষ জারি হওয়া পাসপোর্ট। প্রশ্ন উঠছে, তা হলে প্রথম পাসপোর্টের তথ্য কোথায়? যদি তিনি নাগরিকত্ব বদলে থাকেন, তা হলে কলকাতার জন্মের প্রশংসাপত্র আসে কোথা থেকে ?

বিজেপি তার যে ভোটার কার্ড দাখিল করেছে, সেটি ইস্যুর তারিখ ২০০২ সাল। অঞ্জু যদি ভারতেরই নাগরিক হবেন, তা হলে ভোটার কার্ড পেতে এত সময় লাগল কেন ?

তার যে প্যান কার্ড দেয়া হয়েছে, সেখানে আবার জন্ম সাল ১৯৬৭। প্রশ্ন উঠছে, এক এক জায়গায় তার এক এক রকম জন্মের তারিখ কেন?

ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনের সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশি নায়িকার ভারতীয় নাগরিকত্বের বিষয়ে তাদের কিছু জানা নেই।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘দেশের মানুষ আর বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন না। তাই বাংলাদেশ থেকে লোক নিয়ে আসতে হচ্ছে বিজেপিকে। এটি সম্পূর্ণ অবৈধ।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765