সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাহিনী প্রধান আমিনুরসহ ৪ বনদস্যু নিহত
সুন্দরবনে র্যাবের সাথে আমিনুর বাহিনীর প্রধানসহ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৪ জন বনদস্যু নিহত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে সুন্দরবনের খুলনা রেঞ্জের শিবসা নদীর পাশে কয়রা খালে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এ সময় র্যাব-৬ এর দুই সদস্য আহত হয়েছেন।
নিহত বনদস্যুরা হলো, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার চাঁদনিমুখা গ্রামের কুদ্দুস মোল্লার ছেলে বাহিনী প্রধান আমিনুর ইসলাম (৩৫) ও তার সেকেন্ড ইন কমান্ড কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের তেতুলতলা গ্রামের রহমান সরদারের ছেলে রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক (৩৫), বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার মনরঞ্জন সাহার ছেলে শনিস সাহা (৩৫) ও সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনী উপজেলার দিকলারআইট গ্রামের মৃত মুনসুর আলীর ছেলে আক্তারুল ইসলাম (৩৫)।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনটি অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বনদস্যুদের ব্যবহৃত একটি কাঠের নৌকা উদ্ধার করা হয়েছে।
বাহিনী প্রধান আমিনুর কয়রা সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য এস,এম জিয়াদ আলীর জামাতা। এর আগে অস্ত্র ও গুলিসহ আ’লীগ নেতা জিয়াদ আলীর ছেলে মোজাফ্ফর হোসেন ও তার এক সহযোগীকে গ্রেফতার করে র্যাব। পরে বনদস্যুদের পৃষ্টপোষকতা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র মামলায় তাদের জেল হাজাতে পাঠানো হয়।
র্যাব-৬ এর স্পেশাল কোম্পানী কমান্ডার এএসপি তোফাজ্জল হোসেন জানান, র্যাব-৬ নিয়মিত পেট্রোল ডিউটি চলাকালিন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের ওই অংশে একদল বনদস্যু অবস্থান করছে। সেখানে অভিযান চালানোর সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা গুলি ছোড়ে। এ সময় র্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। পরে বনদস্যুরা পিছু হটলে সেখান থেকে ৪ জন বনদস্যুকে গুলিবীদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাদেরকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।
কয়রা থানার অফিসার ওসি মোঃ রবিউল হোসেন জানান, নিহত বনদস্যুদের লাশ সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।