বাগেরহাটে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালু, ৯০ স্থানে সম্প্রসারণের ঘোষণা

ডিজিটাল সুবিধা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বাগেরহাটে বিনামূল্যে ইন্টারনেট (ওয়াইফাই) সেবা চালু করেছে সিলভার লাইন গ্রুপ। জনসাধারণের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহ বাড়াতে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে খানজাহান আলী মাজার মোড় এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেবার উদ্বোধন করেন সিলভার লাইন গ্রুপের পরিচালক মেহেদী হাসান প্রিন্স। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের সৌজন্যে এই বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালু করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাগেরহাট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টুটুল, বিএনপি নেতা রনি মিনা, রফিকুল ইসলাম, নাজমুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উদ্যোক্তারা জানান, খানজাহান আলী মাজার মোড় এলাকায় প্রায় ২০ বর্গমিটারের মধ্যে একসঙ্গে অন্তত ১০০ জন মানুষ বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। এ সেবা গ্রহণে কোনো ধরনের পাসওয়ার্ডের প্রয়োজন হবে না। শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, পর্যটকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ সহজেই এই ওয়াইফাই সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে সিলভার লাইন গ্রুপের পরিচালক মেহেদী হাসান প্রিন্স বলেন, “ইন্টারনেট এখন আর বিলাসিতা নয়, এটি মানুষের মৌলিক প্রয়োজন। শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী—সবাই আজ ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীল। সেই চিন্তা থেকেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য বাগেরহাটকে ধাপে ধাপে একটি আধুনিক ও ডিজিটাল জেলার দিকে এগিয়ে নেওয়া। পর্যায়ক্রমে জেলার অন্তত ৯০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালু করা হবে। আশা করছি, জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত এই সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।”

এ সময় স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, অনলাইন তথ্য সংগ্রহ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল লেনদেনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, দেশের অন্যতম ব্যবসায়ী গ্রুপ সিলভার লাইনের মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এইচ সেলিম বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১, ২ ও ৩ নং সংসদীয় আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন।