আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কি এত দিন আঙুল চুষছিল: যুবলীগ চেয়ারম্যান
রাজধানীতে যুবলীগ নেতাদের পরিচালনায় ক্যাসিনো থাকা নিয়ে র্যাব ও পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বলা হচ্ছে, ৬০টি ক্যাসিনো আছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এত দিন কী করছিল? তারা কি আঙুল চুষছিল? তাহলে যে ৬০ জায়গায় এই ক্যাসিনো, সেই ৬০ জায়গার থানা পুলিশ ও র্যাবকেও গ্রেফতার করা হোক।
বুধবার রাজধানীর শাহআলী থানার গোলারটেক মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের অন্তর্গত মিরপুর, শাহআলী ও দারুসসালাম থানার ৭ থেকে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের যৌথ ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ওমর ফারুক চৌধুরী এসব কথা বলেন।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমাকে অ্যারেস্ট করবেন, করেন। আমি রাজনীতি করি। আমি একশ’বার অ্যারেস্ট হবো। আমি অন্যায় করেছি। আপনারা কী করেছিলেন? আপনি অ্যারেস্ট করবেন, আমি বসে থাকব না। আপনাকেও অ্যারেস্ট হতে হবে। কারণ, আপনিই প্রশ্রয় দিয়েছেন।’ বিরাজনীতিকরণের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে যুবলীগের বিরুদ্ধে প্রচারণা চলছে কি-না এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, ৫০০ জায়গা নির্ধারণ করে বলা হলো, যুবলীগ চালায়। গোয়েন্দারা এতই তৎপর হলে এত দিন কী করেছিল? পত্র-পত্রিকাও জানার পর এত দিন লেখেনি কেন? লুকিয়ে রেখেছিলেন?
যুবলীগের কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে এবং তদন্ত ও ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে প্রমাণ হলে শাস্তি দেওয়া হয় বলে জানান ওমর ফারুক চৌধুরী। ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে সংগঠনের নেতাদের গ্রেফতারে অস্বস্তির কোনো বিষয় নেই দাবি করে তিনি বলেন, অভিযোগ ফৌজদারি অপরাধের পর্যায়ে পড়লে চিঠি দিয়ে থানায় জানানো হয়। অপরাধ করলে শাস্তির ব্যবস্থা হবে। কিন্তু প্রশ্নটা হচ্ছে, কেন এখন গ্রেফতার হবে? অতীতে কেন হলো না। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এত দিন জানত না? তারা তাহলে এত দিন প্রশ্রয় দিয়েছে।
সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এমপি, আসলামুল হক আসলাম এমপি, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।