সোমবার, ১০ মে ২০২১, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
পবিত্র লাইলাতুল কদর আজ : ফজিলত ও আমল বাগেরহাটে টিকটকে আপত্তিকর ছবি পোস্ট করায় কলেজ ছাত্রীকে হত্যা করে স্বামীর আত্মসমর্পণ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয়বার শপথ নিলেন মমতা বাগেরহাটে আওয়ামী লীগ নেতা আসাদ শেখের হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন আশুলিয়ায় শ্রমিকনেতা সারোয়ারের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ শিল্প কারখানা কর্তৃপক্ষ বাগেরহাটের নিউ বসুন্ধরার চেয়ারম্যানকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ বাগেরহাটে উপজেলা চেয়ারম্যানের ছেলের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলা : দুই বৃদ্ধা নারীসহ আহত-৩ বাগেরহাটে কর্মহীন বিশেষ পেশাজীবীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটে বেকারীর কারখানায় আগুন, দুই ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রনে, নিহত ১ ফকিরহাটে স্কুল ছাত্রীর কুরুচিপূর্ণ ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলায় গ্রেফতার ১




সিএমএসএমই খাতে প্রণোদনার ঋণ ৪৬.৩৬ শতাংশ বিতরণ

নতুন বার্তা ডেস্ক
  • প্রকাশ: রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০

কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার কয়েকদিন বাকি থাকলেও তফসিলি ব্যাংকগুলো কটেজ, কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের ৪৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ বাস্তবায়ন করেছে। চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করার পরে কয়েক দফা মেয়াদ বৃদ্ধি করে ৩১ ডিসেম্বর শেষ সময় নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশে করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সরকার সিএমএসএমই খাতের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলো ৬৬ হাজার ৬১০ জন সিএমএসএমই উদ্যোক্তাকে ৯ হাজার ২৭১ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছে। বিতরণের সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে, এখনও ১০ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা বিতরণ হয়নি। অধিকাংশ ব্যাংক বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ঋণ বিতরণ করলেও কটেজ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের নির্ধারিত সময়ে ভালোভাবে সেবা দেয়নি। সরকারি উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো মোট প্রণোদনা প্যাকেজের ৩৬ শতাংশ বিতরণ করতে পেরেছে। ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো ২৫৯৩ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৯৩৯ কোটি টাকা বিতরণ করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, ব্যাংকগুলোর গ্রামীণ ও শহরের শাখাগুলো প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণে সমন্বিতভাবে কাজ করেনি। তিনি আরও বলেন, সিএমএসএমই খাতের জন্য প্রণোদনা প্যাকেজের উপকারভোগীদের বিবেচনা করে সেসব অঞ্চলে ব্যাংকগুলো আরও ভালো নজর দিলে প্যাকেজটি যথাসময়ে কার্যকর করতে সহায়ক হতে পারে।
রাজবাড়ীর একজন উদ্যোক্তা আফজাল হোসেন বলেন, ব্যাংক থেকে প্রণোদনার ঋণ দিতে নানা রকম টালবাহানা করেছে। সিএমএসএমই খাতে ঋণ বিতরণে ব্যাংকাররা নানারকম অজুহাত দেখিয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ইসলামি ব্যাংকগুলো ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার ৪৫ দশমিক ৮১ শতাংশ বিতরণ করেছে। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৫৫২০ কোটি টাকা।
ইসলামি ব্যাংকগুলো ছাড়াও বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো লক্ষ্যমাত্রার ১০ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকার মধ্যে ৪৬ দশমিক ৩ শতাংশ বা ৫ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করেছে।
তবে সরকারি, বেসরকারি এবং ইসলামি ব্যাংকগুলোর তুলনায় বিশেষায়িত ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণের পরিমাণ ভালো। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো লক্ষ্যমাত্রার ৮৭ শতাংশ এবং বিদেশি ব্যাংকগুলো ৫০ শতাংশ বিতরণ করেছে।
বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর লক্ষ্যমাত্রার ২৮৮ কোটি টাকার মধ্যে ২৫০ কোটি টাকা বিতরণ করেছে। বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলো ১৯৫ কোটি টাকার মধ্যে ৯৭ কোটি টাকা বিতরণ করেছে।
মহামারি করোনা ভাইরাসের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সিএমএসএমই খাতের জন্য ৯ শতাংশ সুদে ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। ৯ শতাংশ সুদের মধ্যে ৫ শতাংশ সরকার ভর্তুকি দেবে এবং ৪ শতাংশ দিতে হবে গ্রাহককে।
প্রাথমিকভাবে ব্যাংকগুলোকে জুলাইয়ের মধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজের সিংহভাগ এবং বাকি অর্থ আগস্টের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছিল।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765