মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বাগেরহাটে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে হাসপাতাল অংশীজনের সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে সিটিজেন টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন বাগেরহাটে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা বাগেরহাটে সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক দুইদিন ব্যাপী প্রশিক্ষন শুরু বাগেরহাটে ই-জিপি সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সমন্বয় করে কাজ করলে দেশে কোন দরিদ্র মানুষ থাকবে না -মহাপরিচালক, এনজিও ব্যুরো কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন বাগেরহাটে জীবন বীমা কর্পোরেশনের ৫০ বছর পূর্তিতে আলোচনা সভা ( ভিডিও) বাগেরহাটে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্কুল ফিডিং কর্মসূচী




দুর্নীতিবাজরা দেশের রক্ত চুষছে: হাইকোর্ট

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ: রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

দুর্নীতিবাজরা দেশের রক্ত চুষছে বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। অর্থ আত্মসাতের মামলায় একটি জামিন আবেদনের শুনানিকালে রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

আদালত আরও বলেন, ‘দুর্নীতি মামলার আসামিরা মাটির নিচে থাকলেও সেখান থেকে তাদের খুঁজে বের করতে হবে। কারণ, ব্যাংকের অর্থ জনগণের সম্পদ। যেকোনও মূল্যে ব্যাংকের আত্মসাৎ হওয়া টাকা উদ্ধার করতে হবে। প্রয়োজনে আসামিদের সম্পত্তি বিক্রি করে ব্যাংকের টাকা আদায় করতে হবে। এরা দেশের রক্ত চুষছে। এদের কোনও ক্ষমা নেই।’

এসময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন ভুঁইয়া। অন্যদিকে, আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী হোসাইন মোহাম্মদ ইসলাম।

এর আগে পরস্পর যোগসাজশে জাল রেকর্ডপত্র তৈরি করে প্রতারণামূলকভাবে ও ভুয়া রফতানি দেখিয়ে ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের ধানমন্ডি শাখায় ২৬টি বিল জমা দেওয়া হয়। পরে ১৭টি বিলের বিপরীতে ২৬ কোটি ৮৫ লাখ ৯৮ হাজার ১২৬ টাকা উত্তোলন করে আসামিরা। এর মধ্যে ৩টি বিলের মূল্যসহ ও চতুর্থ বিলের আংশিক মূল্যসহ মোট পাঁচ কোটি ৬১ লাখ ১০ হাজার টাকা ব্যাংকে ফেরত দেওয়া হয় এবং অবশিষ্ট ১৪টি বিলের মূল্য ২১ কোটি ২৪ লাখ ৯১ হাজার ৪৭১ টাকা ব্যাংকে ফেরত না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়। পরে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন সাত জনকে আসামি করে ধানমন্ডি থানায় ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তদন্তাধীন রয়েছে।

ওই মামলার আসামিরা হলেন— সাইমেক্স লেদার প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান তালহা শাহরিয়ার আইয়ুব টি এস আইয়ুব, তার স্ত্রী পরিচালক তানিয়া রহমান, ঢাকা ব্যাংকের ধানমন্ডি শাখার ভিপি ও ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম, ব্যাংকটির এভিপি ও সিপিসি সুলতানা ফাহমিদা, মেসার্স এস অ্যান্ড এস এজেন্সির মালিক বিভূতি ভূষণ বালা, মেসার্স জামান এন্টারপ্রাইজের মালিক শেখ আসাদুজ্জামান মিন্টু এবং মেসার্স সাদাত এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. আমিনুল ইসলাম।

ওই মামলায় গত জানুয়ারিতে সাইমেক্স লেদার প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান তালহা শাহরিয়ার আইয়ুব (টি এস আইয়ুব) এবং তার স্ত্রী পরিচালক তানিয়া রহমান হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাদের আবেদন নামঞ্জুর করে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। তারা গত ২১ মার্চে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিন পান। পরে ওই আদেশের বিরুদ্ধে দুদক আবেদন জানালে গত ৯ ডিসেম্বর তাদের জামিন বাতিল করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯। একইসঙ্গে তাদেরকে এক সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন ওই আদালত।

এরপর একই মামলার আসামি ঢাকা ব্যাংকের ধানমন্ডি শাখার ভিপি ও ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানান। কিন্তু আমিনুল ইসলাম তার জামিন নথিতে সাইমেক্স লেদারের চেয়ারম্যান ও পরিচালক জামিন পেয়েছে বলে তথ্য দিলেও তাদেরকে পুনরায় আত্মসমর্পণ করতে বলার নতুন তথ্য উল্লেখ করেনি।

পরে আমিনুল ইসলামের জামিন আবেদনের শুনানিকালে সাইমেক্স লেদারের চেয়ারম্যান ও পরিচালকের জামিন না হওয়ার বিষয়ে প্রকাশিত একটি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিবেদন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে পেশ করেন। তখন আদালত আমিনুল ইসলামকে কেন জামিন দেওয়া হবে না জানতে চেয়ে পূর্বের রুল খারিজ করে দেন।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো সংবাদ










© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765