রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
পঁচাত্তর-পরবর্তি বঙ্গবন্ধু পরিবারের অভিভাবক ছিলেন রাজিয়া নাসের -বিএম মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের দলীয় মতদার্শের উর্দ্ধে থেকে কাজ করতে হবে — এস এম কামাল বিদায় কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা বাগেরহাটে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতি শুরু যৌনকর্মী থেকে বিবিসির সেরা ১০০ নারীর তালিকায় বাংলাদেশের রিনা ফকিরহাটে পাঁচ শতাধিক চাষীর মাঝে সার ও বীজ বিতরণ বাগেরহাট প্রেসক্লাব নির্বাচনে নীহার-বাকী পরিষদের নিরঙ্কুশ বিজয় বাগেরহাটে ১৫ফুট দৈর্ঘ একটি অজগর উদ্ধার করে সুন্দরবনে অবমুক্ত বাগেরহাটে ১৭ দিনের নবজাতক চুরি, ৩ দিন পর পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার বাগেরহাটে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সভা অনুষ্ঠিত




জাতীয়করণ দাবিতে লাগাতার আন্দোলনে যাচ্ছে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকরা

বাগেরহাট প্রতিনিধি
  • প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০

রেজিষ্ট্রেশনপ্রাপ্ত সকল স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণ ঘোষণার দাবিতে আন্দোলনে নামছেন ওইসব মাদ্রাসার শিক্ষকরা। আগামী ১৪ নভেম্বরের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয়করণ ঘোষণা না করা হলে ১৫ নভেম্বর থেকে তারা লাগাতার আন্দোলন শুরু করবেন। বুধবার দুপুরে খুলনা-বাগেরহাট মহাসড়কের বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এই ঘোষনা দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ মাও: কাজী ফয়েজুর রহমান।

বাগেরহাট জেলা কমিটির সভাপতি হাফেজ মাও. মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, বাগেরহাট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাও. শামসুল হক আনছারী, সিনিয়র সহসভাপতি মাও. মতিয়ার রহমান, মোল্লা মুদাচ্ছির আলী, মো: মমিউর রহমান, মহিদুল ইসলাম, মাও: আ: রাজ্জাক, মোঃ মাসুম বিল্লাহ, ইয়াছিন মোল্লা বাবুল প্রমুখ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ১৯৭৮ অডিনেন্স ১৭(২) ধারা মোতাবেক মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে রেজিঃপ্রাপ্ত হয়। রেজিষ্ট্রেশন হওয়ার পর থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। ১৯৯৪ সালে একই পরিপত্রে রেজিষ্ট্রার বেসরকারী প্রাইমারী ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে বিগত সরকারের সময়ে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি হতে হতে ২০১৩ সনে ৯ জানুয়ারি বর্তমান মহাজোট সরকার ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারী প্রাইমারী স্কুল জাতীয়করণ করে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় সকাল ৯ থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সরকারি একই সিলেবাসে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় ইবতেদায়ী ৫ম শ্রেণী শিক্ষার্থী সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ন্যায় সরকারের সকল কাজে অংশগ্রহণ করে। অথচ মাস শেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ২২ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন পায়। কিন্তু ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষকরা তেমন কোন বেতন ভাতা পায় না। তবুও তারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় শিক্ষকতা চালিয়ে যাচ্ছে।

কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ মাও: কাজী ফয়েজুর রহমান বলেন, ২০১৮ সালে ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষক সমিতি অবস্থান ধর্মঘট ও অনশন চলাকালীন সময় সরকারের নির্দেশে সচিব মহোদয় আন্দোলন স্থলে এসে শিক্ষকদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি। ১ হাজার ৫১৯টি ইবতেদায়ী মাদ্রাসা একজন প্রধান শিক্ষক ২৫০০টাকা, সহকারী শিক্ষক ২৩০০ টাকা ভাতা পান। বাকি রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত মাদরাসাগুলোর শিক্ষকরা ৩৪ বছর যাবত বেতন ভাতা থেকে বঞ্চিত। যা এই দ্রব্যমূল্যের বাজারে অমানবিক, শিক্ষকদের অবমাননা ছাড়া কিছুই না।

মানববন্ধনে মুজিব বর্ষে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের ৭ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

image_pdfimage_print




সংবাদটি ভাল লাগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ













© All rights reserved © 2019 notunbarta24.com
Developed by notunbarta24.Com
themebazarnotunbar8765